মূল কন্টেন্টে যান
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সৌরজগৎ English

জীবনের বিজ্ঞান, মহাবিশ্বের মহাবিস্ময়, মহাকাশ অভিযানের কাহিনী, পদার্থের স্বরূপ, কালজয়ী বিজ্ঞানীদের গল্প – এসব নানা চমকপ্রদ বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে আমার লেখাগুলোকে নিয়ে তৈরি করেছি, ‘বিচিত্র বিজ্ঞান’ নামের এই ওয়েব সাইট।

প্রথম পাতা › বিবিধ বিজ্ঞান › আব্দুল্লাহ আল-মুতী: এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে ও…

আব্দুল্লাহ আল-মুতী: এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে ও শৈশবের স্মৃতি

২৭ মার্চ, ২০১৯

⏱ ২ মিনিট পড়ার সময়

সর্বশেষ হালনাগাদ: ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

👁 ৩৪৮ 💬 ০
শেয়ার ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ টেলিগ্রাম এক্স
আব্দুল্লাহ আল-মুতী: এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে ও শৈশবের স্মৃতি

শৈশব ও এডুকেশন এক্সটেনশন সেন্টার

আমি তখন খুবই ছোট। ক্লাস ওয়ান অথবা টুতে পড়ি। আমরা তখন থাকতাম ঢাকা কলেজের পেছনে। এডুকেশন এক্সটেনশন সেন্টারের আবাসিক এলাকায়। লোকজন সংক্ষেপে বলতো সেন্টার।

সারাদিন সেন্টারে টোটো করে ঘুরে বেড়ানোই তখন আমার কাজ। পড়াশুনার চেয়ে খেলাধুলাটাই প্রধান। সেন্টারের বিশাল চত্বর ছিল আমাদের দুরন্ত শৈশবের খেলার মাঠ।

জামীলদের বাসা ও সেই ডাক

একদিন গেছি জামীলদের বাসায়। জামীল আমার বন্ধু। ওদের বাসাটা অনেক বড়, খেলার অনেক জায়গা। আমরা মনের আনন্দে খেলছিলাম। খেলার মাঝেই হঠাৎ আমার ডাক পড়লো।

জামীলের বাবা আমাকে ডাকছেন। ভয়ে ভয়ে গেলাম। সাধারণত বন্ধুদের বাবারা ডাকলে একটু ভয় তো লাগেই। উনি আমাকে খুব স্নেহভরে কাছে ডাকলেন। তারপর জিগ্যেস করলেন, “তুমি বাংলা পড়তে পারো?”

আমি আমতা আমতা করে বললাম, “পারি।”

প্রথম বিজ্ঞান বই উপহার

উনি তখন আমার হাতে একটি বই দিয়ে বললেন, “এই বইটার নাম পড়তো।”

আমি বইটা হাতে নিয়ে বানান করে করে নামটা পড়লাম— ‘এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে’।

উনি তখন হেসে বললেন, “এইতো পড়তে পারো দেখছি। ঠিক আছে বইটা তুমি রাখতে পারো, বইটা তোমাকে দিলাম।”

লেখকের পরিচয় ও বিস্ময়

পরে দেখি বইটার লেখকের নাম, আব্দুল্লাহ আল-মুতী। কি অবাক কান্ড! এটা যে জামীলের আব্বারই নাম। তবে উনিই কি লিখেছেন বইটা? ছোট মনে তখন রাজ্যের বিস্ময়।

খুব আনন্দ হয়েছিলো বইটা পেয়ে। জীবনে প্রথম কোনো লেখকের কাছ থেকে তাঁর লেখা বই উপহার পেলাম। আর সেই সাথে বিজ্ঞানের রাজ্যের প্রথম দেখাও পেলাম ওই বইটা থেকেই। সেই ছোটবেলার স্মৃতি আজও আমার মনে উজ্জ্বল হয়ে আছে।

শেয়ার ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ টেলিগ্রাম এক্স

Tanvir Hossain

bichitrobiggan.com

তানভীর হোসেন ছাত্র জীবন থেকেই বিজ্ঞান নিয়ে লেখালেখি করছেন। সহজ সরল বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চা করা তার লেখার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশে বিজ্ঞানে জন সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং তরুণ সমাজকে বিজ্ঞানমনস্ক করে তোলা তার লেখার মূল উদ্দেশ্য। তানভীর হোসেনের লেখা দুটো বিজ্ঞান বিষয়ক বই, "শতাব্দীর বিজ্ঞান" এবং "বিচিত্র বিজ্ঞান" পাঠক সমাদৃত হয়েছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *