মূল কন্টেন্টে যান
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
সৌরজগৎ English

জীবনের বিজ্ঞান, মহাবিশ্বের মহাবিস্ময়, মহাকাশ অভিযানের কাহিনী, পদার্থের স্বরূপ, কালজয়ী বিজ্ঞানীদের গল্প – এসব নানা চমকপ্রদ বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে আমার লেখাগুলোকে নিয়ে তৈরি করেছি, ‘বিচিত্র বিজ্ঞান’ নামের এই ওয়েব সাইট।

প্রথম পাতা › বিজ্ঞানীদের কথা › লুই দ্যা ব্রয়ী: কোয়ান্টাম তত্ত্ব ও…

লুই দ্যা ব্রয়ী: কোয়ান্টাম তত্ত্ব ও কণা-তরঙ্গ দ্বৈত্বতার জনক

১২ মার্চ, ২০২৬

⏱ ১ মিনিট পড়ার সময়

সর্বশেষ হালনাগাদ: ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

👁 ১০০ 💬 ০
শেয়ার ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ টেলিগ্রাম এক্স
লুই দ্যা ব্রয়ী: কোয়ান্টাম তত্ত্ব ও কণা-তরঙ্গ দ্বৈত্বতার জনক

লুই দ্যা ব্রয়ীর জন্ম ও কোয়ান্টাম তত্ত্বে অবদান

প্রখ্যাত ফরাসি পদার্থবিদ লুই দ্যা ব্রয়ীর (Louis de Broglie) ১৮৯২ সালের ১৫ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি ছিলেন কোয়ান্টাম তত্ত্বের একজন অন্যতম প্রধান প্রবক্তা। ১৯২৪ সালে তাঁর পিএইচডি থিসিসে তিনিই সর্বপ্রথম ইলেকট্রনের তরঙ্গ ধর্মের ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ইলেকট্রন শুধুমাত্র বস্তুকণাই নয়, একই সাথে তরঙ্গও বটে। শুধু ইলেকট্রনই নয়, সকল বস্তুকণারই তরঙ্গ ধর্ম রয়েছে। কোয়ান্টাম জগতে সকল পদার্থই একই সাথে কণা এবং তরঙ্গ দুই রুপেই বিদ্যমান থাকে। একে বলে, পদার্থের কণা-তরঙ্গ দ্বৈত্বতা বা particle-wave duality, এটি কোয়ান্টাম মেকানিক্সের একটি মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।

নোবেল বিজয় ও সার্ন প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা

১৯২৭ সালে ইলেকট্রনের কণা-তরঙ্গ দ্বৈত্বতা পরীক্ষামূলকভাবে প্রমাণিত হয় এবং ১৯২৯ সালে লুই দ্যা ব্রয়ী পদার্থবিজ্ঞানে এককভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ছিলেন ফরাসি দেশের একজন অত্যন্ত খ্যাতিসম্পন্ন পদার্থবিজ্ঞানী। লুই দ্যা ব্রয়ী পদার্থবিজ্ঞানের গবেষণায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতেন। তাঁর অক্লান্ত প্রচেষ্টার ফলেই পঞ্চাশের দশকে ইউরোপিয়ান নিউক্লিয়ার রিসার্চ অর্গানাইজেশন বা সার্নের জন্ম হয়। ১৯৮৭ সালে এই ক্ষণজন্মা বিজ্ঞানীর জীবনাবসান হয়। তাঁর প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।

শেয়ার ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ টেলিগ্রাম এক্স

Tanvir Hossain

bichitrobiggan.com

তানভীর হোসেন ছাত্র জীবন থেকেই বিজ্ঞান নিয়ে লেখালেখি করছেন। সহজ সরল বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চা করা তার লেখার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশে বিজ্ঞানে জন সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং তরুণ সমাজকে বিজ্ঞানমনস্ক করে তোলা তার লেখার মূল উদ্দেশ্য। তানভীর হোসেনের লেখা দুটো বিজ্ঞান বিষয়ক বই, "শতাব্দীর বিজ্ঞান" এবং "বিচিত্র বিজ্ঞান" পাঠক সমাদৃত হয়েছে।